ads

সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানি কমেছে পাঁচ শতাংশের মতো। অথচ একক বৃহৎ বাজার হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল বাংলাদেশ। গার্মেন্টস মালিকরা বলছেন, এক বছরের রপ্তানি কমায় তারা শঙ্কিত নয়। বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি বর্তমানে আগের চেয়ে স্থিতিশীল। তাই সামনে দেশটিতে রপ্তানি বাড়বে।

যুক্তরাষ্ট্রে বাজার দিয়েই শুরু হয়েছিলো বাংলাদেশের রপ্তানিমূখী পোশাক শিল্পের যাত্রা। বিশ্ব বৃহত্তম অর্থনীতির দেশটি এখনো বাংলাদেশি পোশাকে একক বড় বাজার। তবে সদ্যবিগত ২০২২-২৩ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বড় ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। পোশাক রপ্তানি আয় আগের বছরের চেয়ে ৫.৫১ শতাংশ কমে সাড়ে আট বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। যদিও আগের ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হয়েছিলো রেকর্ড ৫১ শতাংশ।

রপ্তানিকারকরা বলছেন ,রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, বিশ্বমন্দা, মূল্যস্ফীতি ও সুদের হার বৃদ্ধির প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের রিটেইল শপগুলোতে অবিক্রিত পণ্যের মজুদে বেড়ে যাওয়ায় গত অর্থবছরে তারা ক্রয়াদেশ কম পান। গেলো বছর ওভেন পোশাকে রপ্তানি আগের বছরের তুলনায় কমেছে এক দশমিক ১৮ শতাংশ কমেছে। আর নিট পোশাক রপ্তানি কমে ১৩.৬৮ শতাংশ। 

 

চলতি অর্থবছরেও যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে আশা দেখছেন না বিজিএমইএ সহ-সভাপতি। শহীদুল্লাহ আজিম। আর অর্থনীতিবিদ আহসান এইচ মনসুর বলেছেন, বলছেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে এখন স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে, তাই সামনে রপ্তানি নিয়ে হতাশ হওয়ার কিছু নেই। 

যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশকে ১২ থেকে ১৬ শতাংশ কর দিতে হয়। খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, তবুও সস্তায় বড় লটে পোশাক আমাদনির জন্য বাংলাদেশ এখনো যুক্তরাষ্ট্রের বড় ব্রান্ডগুলোর পছন্দের জায়গা। 

আরও খবর